টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ জুন ২০১৯

পটভুমি

টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর সৃজনের পটভূমি:

The Bangladesh Telegraph and Telephone Board Ordinance, 1970 এর বিধান অনুসারে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) গঠিত হয়। পরবর্তিতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিটিটিবিকে বিলুপ্ত করে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীনে যথাক্রমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)  গঠন করা হয়। বিটিটিবি বিলুপ্ত হওয়ায় এর বিভিন্ন গ্রেডের পদসমূহের মধ্য থেকে ২৩৮টি স্থায়ী এবং ৭,৫৩৬টি পর্যায়ক্রমে বিলোপ যোগ্য পদসহ রাজস্ব খাতে সর্বমোট ৭,৭৭৪টি পদ নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের (স্মারক নং-০৫.১৫৬.০১৫.০৪.০০.০২৩.২০১০-২০৩, তারিখ: ১৪ নভেম্বর ২০১৩) ও অর্থ বিভাগের (স্মারক নং-০৭.০০.০০০০.১৬৩.১৪.০৩৪.১৪-৭৬, তারিখ: ১৬ এপ্রিল ২০১৪) সম্মতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুমোদনক্রমে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রজ্ঞাপন নং ১৪.০০.০০০০.০০৮.২২.০০২.১৩ (অংশ)-২৭৯, তারিখ: ২৫ জুন ২০১৫ খ্রিঃ মোতাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীনে “টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর“ “[Department of Telecommunications (DoT)]” সৃজিত হয়। টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর সৃজনের প্রেক্ষিতে বিলুপ্ত বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি)-এর জন্য সৃজিত সর্বমোট ১৯,০২৯ (ঊনিশ হাজার উনত্রিশ)টি পদের মধ্যে ১১,২৫৫ (এগার হাজার দুইশত পঞ্চান্ন)টি পদে কোন জনবল কর্মরত না থাকায় উক্ত পদসমুহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের আরেকটি প্রজ্ঞাপন দ্বারা বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়।

টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর সৃজনের উদ্দেশ্য:

  • বিলুপ্ত বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি)’র কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষা;
  • বিটিসিএল-কে একটি পুর্ণাঙ্গ কোম্পানী হিসাবে পরিচালনা; এবং
  • টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নে সরকারকে কারিগরী, বিশেষজ্ঞ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ / সহায়তা প্রদান।

টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের কার্যপরিধি:

    টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে স্থানান্তরিত স্থায়ী ও বিলোপযোগ্য পদের জনবলের বদলী/প্রেষন, পদোন্নতি, অবসর প্রস্তুতি ছুটি, পেনশন ইত্যাদি বিষয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা চালুকরণ;

    টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত নিম্নোক্ত বিষয়সমূহে সরকারকে কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ সহায়তা এবং পরামর্শ প্রদান: 

  • টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন;
  • টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিধি-বিধান প্রণয়ন;
  • টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ও সেবা সংক্রান্ত বিষয়াদি এবং এর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ;
  • টেলিযোগাযোগ খাতে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিষয়ক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন;
  • টেলিযোগাযোগের উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি অভিযোজন এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়নে দক্ষ জনবল সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য কারিকুলাম প্রণয়ন;
  • আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা/ প্রতিষ্ঠানের সাথে লিয়াঁজো, চুক্তি সম্পাদন এবং তাদের কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহনের ব্যাপারে সমন্বয় সাধন;
  • টেলিযোগাযোগ খাতের যন্ত্রপাতি ও সেবার মান নির্ধারণ;
  • সরকারের অনুমোদনক্রমে টেলিযোগাযোগ বিষয়ক পরিকল্পনা গ্রহন ও বাস্তবায়ন;
  • টেলিযোগাযোগ সেবার ট্যারিফ, কলচার্জ ও অন্যান্য চার্জ এবং পরিচালনাকারী কর্তৃক উহা নির্ণয়ের পদ্ধতি অনুমোদন, বেতার তরঙ্গসহ টেলিযোগাযোগ সুবিধা বিস্তৃতকরণের জন্য প্রকল্প প্রণয়ন,

টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে সৃজিত জনবল কাঠামো:

বিলুপ্ত বিটিটিবি’র অনুমোদিত জনবল ছিল-১৯,০২৯টি

তাৎক্ষণিক ভাবে বিলোপ করা হয়-১১,২৫৫টি

নবসৃজিত অধিদপ্তরের জনবল-৭,৭৭৪টি (স্থায়ী কাঠামোর পদ-২৩৮টি, পর্যায়ক্রমে বিলোপযোগ্য পদ-৭,৫৩৬টি)। স্থায়ী পদের মধ্যে কর্মকর্তা পর্যায়ে ৮১টি এবং কর্মচারী পযায়ে ১৫৭টি পদ অন্তর্ভুক্ত।

আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু:

৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ খ্রিঃ তারিখে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ কর্তৃক টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে ৩২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী পদায়ন করা হয়। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ খ্রিঃ তারিখে বিটিসিএল-এর তেজগাঁওস্থ টেলিকম ট্রেনিং সেন্টার-এর একটি ভবনে টেলিযোগাযোগ  অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিক ভাবে এর যাত্রা শুরু করে। সংস্থাটির প্রধান হলেন মহাপরিচালক,  যিনি সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা, যা ১ম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। ৩ (তিন) জন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ,  কারিগরী এবং রেগুলেটরী) তাঁর অধীনে থেকে সংস্থার সকল কাজ সমন্বয় করেন। বর্তমানে স্থায়ী কাঠামোতে ১৪৩ (একশত তেতাল্লিশ) জন কর্মকর্তা/কর্মচারী টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে কর্মরত আছেন।

 



Share with :

Facebook Facebook